রূপপিডিয়া সম্পাদনা দল
রূপপিডিয়ার প্রতিটি এন্ট্রির পেছনে আছে একটি ছোট দল — তিনজন লেখক, যাঁদের প্রত্যেকের নিজস্ব বিভাগ (বিট), আর একজন জ্যেষ্ঠ সম্পাদক, যাঁর টেবিল না ঘুরে কোনো এন্ট্রি প্রকাশিত হয় না। কে কোন এন্ট্রি লিখেছেন তা প্রতিটি এন্ট্রির বাইলাইনে লেখা থাকে, আর প্রত্যেকের পরিচিতি নিচে।
লেখক
সাদিয়া রহমান (Sadia Rahman)
বিট: উপাদান (Ingredients) · রূপপিডিয়ায় আগস্ট ২০২৬ থেকে
সাদিয়া রূপপিডিয়ার উপাদান এন্ট্রিগুলো লেখেন — নায়াসিনামাইড থেকে রেটিনল, প্রতিটি উপাদানের পেছনের প্রকাশিত গবেষণা ঘেঁটে সহজ বাংলায় ব্যাখ্যা করাই তাঁর কাজ। কোনো দাবির পেছনে প্রমাণ কতটা শক্ত, সেটা আলাদা করে বলা তাঁর লেখার নিয়মিত অভ্যাস।
তানভীর হাসান (Tanvir Hasan)
বিট: রুটিন (Routines) · রূপপিডিয়ায় আগস্ট ২০২৬ থেকে
তানভীর লেখেন ধাপে ধাপে স্কিনকেয়ার রুটিন নিয়ে — কোন উপাদান কখন, কোন ক্রমে, কোনটার সাথে কোনটা চলে না। ঢাকার আবহাওয়া, ঘাম আর ধুলাবালির বাস্তবতা মাথায় রেখে রুটিন সাজানোই তাঁর বিশেষ ঝোঁক।
নুসরাত জাহান (Nusrat Jahan)
বিট: গাইড ও মিথবাস্টিং (Guides & Myth-busting) · রূপপিডিয়ায় আগস্ট ২০২৬ থেকে
নুসরাতের বিষয় বড় গাইড আর প্রচলিত ভুল ধারণা — রান্নাঘরের টোটকা থেকে ভাইরাল স্কিনকেয়ার ট্রেন্ড, কোনটার পেছনে ভিত্তি আছে আর কোনটা শুধুই কথার কথা, সেটা যাচাই করে লেখেন।
সম্পাদক
ফারহানা আক্তার (Farhana Akter)
দায়িত্ব: সম্পাদনা ও ফ্যাক্ট-চেক (Editing & Fact-check) · রূপপিডিয়ায় আগস্ট ২০২৬ থেকে
ফারহানা রূপপিডিয়ার জ্যেষ্ঠ সম্পাদক। প্রকাশের আগে প্রতিটি এন্ট্রির তথ্য, উৎস আর ভাষা তাঁর টেবিল ঘুরে আসে; হালনাগাদ নীতিও তিনিই দেখভাল করেন।
এন্ট্রি কীভাবে প্রকাশিত হয়
- গবেষণা: নির্ধারিত লেখক প্রকাশিত গবেষণা, ডার্মাটোলজি রেফারেন্স ও নিয়ন্ত্রক নির্দেশনা থেকে উৎস সংগ্রহ করেন।
- লেখা: লেখক নিজের বিটের এন্ট্রিটি খসড়া করেন — প্রতিটি দাবির পাশে উৎস ধরে।
- সম্পাদকের তথ্য-যাচাই: প্রকাশের আগে সম্পাদক প্রতিটি সংখ্যা, মাত্রা ও দাবি উৎসের সাথে মিলিয়ে দেখেন; যে এন্ট্রিতে সম্পাদকের পর্যালোচনা হয়েছে, তার নাম এন্ট্রিতেই লেখা থাকে।
- তারিখসহ হালনাগাদ: প্রকাশ ও সর্বশেষ হালনাগাদের তারিখ সব এন্ট্রিতে দৃশ্যমান; নতুন প্রমাণ এলে বা পাঠক ভুল ধরিয়ে দিলে এন্ট্রি সংশোধন করা হয়।
এই দলের নিয়মগুলো
- প্রতিটি তথ্যগত দাবির উৎস থাকতে হবে — প্রকাশিত গবেষণা, ডার্মাটোলজি রেফারেন্স বা নিয়ন্ত্রক নির্দেশনা।
- প্রমাণের জোর কতটা, তা এন্ট্রিতেই স্পষ্ট করা হবে; দুর্বল প্রমাণকে শক্ত বলে চালানো যাবে না।
- পাঠকের ধরিয়ে দেওয়া ভুল যাচাই করে দ্রুত সংশোধন করা হবে।
- কোনো আর্থিক সম্পর্ক থাকলে তা ডিসক্লোজার নীতি অনুযায়ী প্রকাশ করা হবে।
সম্পাদকীয় প্রক্রিয়ার বিস্তারিত আছে আমাদের সম্পর্কেপাতায়। দলটির সাথে যোগাযোগ:[email protected]।